বিগত ২০২৫ সালে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) প্রবাহ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। একই সময়ে বিনিয়োগবান্ধব নীতিগত সংস্কার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদার হয়েছে।তবে বিদেশি বিনিয়োগ-সংক্রান্ত আইনি বিরোধের মতো নতুন চ্যালেঞ্জও সামনে এসেছে।
জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার (আঙ্কটাড/ইউএনসিটিএডি) ২০২৬ সালের সর্বশেষ ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টমেন্ট রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) প্রবাহ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যা ২০২৪ সালের ১ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এটিই দেশের সর্বোচ্চ বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রবাহ।আঙ্কটাড বলছে, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) মধ্যে নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা গ্রিনফিল্ড প্রকল্প স্থাপনের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশ তার অবস্থান ধরে রেখেছে।
বিনিয়োগ পরিবেশ আরও সহজ ও উন্মুক্ত করতে ২০২৫ সালে বাংলাদেশ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের ওপর বিদ্যমান বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা শিথিল করার বিষয়টি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘অ্যাগ্রিমেন্টস অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড’ কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশ যুক্ত হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে আঙ্কটাড। সংস্থাটি বলছে, চুক্তির অংশ হিসেবে একটি আধুনিক বিনিয়োগ স্ক্রিনিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে বাংলাদেশ সম্মত হয়েছে। এর লক্ষ্য অর্থনৈতিক নিরাপত্তা জোরদার করা, বিনিয়োগ-সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা শক্তিশালী করা।